Bangladesh · 2026-11-03 12:19:48

৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন

৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন
চিকিৎসকদের ৫১তম বিশেষ বিসিএসে চূড়ান্তভাবে মোট ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। ফি জমাদানের নির্ধারিত সময় শেষে এই তথ্য জানা গেছে। এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দেশের সরকারি হাসপাতালের জন্য মোট ৫ হাজার চিকিৎসক ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান চূড়ান্ত আবেদনের এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশিপিএসসি সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া আগে শেষ হলেও প্রার্থীদের ফি জমা দেওয়ার জন্য ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনের পর কেবল যেসব প্রার্থী নির্ধারিত ফি সফলভাবে জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবেদনই চূড়ান্ত বলে গণ্য করা হয়েছে। ফি জমা পড়া এই ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিসিএসের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চলা তীব্র চিকিৎসক-সংকট কাটানোই এই নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত চাহিদাপত্র পাওয়ার পর পিএসসি দ্রুততম সময়ে এই বিশেষ বিসিএসের আয়োজন করে।
নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তনপ্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই ৫১তম বিসিএসের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার চিকিৎসককে ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জন নিয়োগ পাবেন সহকারী সার্জন পদে। বাকি ৩০০ জন নিয়োগ পাবেন সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে।
উল্লেখ্য, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় দেশের প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই লক্ষ্য পূরণে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। সরকারের সেই নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকেই পিএসসি এই বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ও আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন করে।
চাকরির অভিজ্ঞতা নেই, সিভিতে তুলে ধরুন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে যে কাজপিএসসি সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগ ও হাসপাতালে পদায়ন নিশ্চিত করতে এই বিশেষ বিসিএসে দীর্ঘ লিখিত পরীক্ষা রাখা হয়নি। ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই শেষ করা হবে। অল্প সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে নতুন চিকিৎসকদের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে পদায়ন করা হবে।

Source - www.prothomalo.com ↗