যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেবল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবশিষ্ট মেয়াদের রাজনৈতিক গতিপথও নির্ধারণ করবে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের ওপর কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তার ওপর নির্ভর করবে প্রশাসনের নীতিনির্ধারণ ও আইন প্রণয়নের সক্ষমতা। তবে নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের মেয়াদে সরাসরি কোনো প্রভাব পড়বে না।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নির্ধারিত হবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, রিপাবলিকান, নাকি ডেমোক্রেটদের। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন না হলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাকি দুই বছরের শাসনামলে এই ভোটের প্রভাব হতে পারে বড়।
প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতে এবং সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসনে ভোট হবে। জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্রেটদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিললেও, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া তাদের জন্য কঠিন হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন বদলে দিতে পারে ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের রাজনৈতিক গতিপথ

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। ইরান যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সেন্টার নিয়েও বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
ডেমোক্রেটরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত, নথি তলব এবং অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবে অভিশংসন মানেই প্রেসিডেন্টের পদ হারানো নয়। অপসারণের জন্য সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে প্রেসিডেন্টের মন্ত্রিসভা ও বিচারক নিয়োগ আটকে দেয়ার সুযোগ পাবে ডেমোক্রেটরা। তবে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ তাদের নিয়ন্ত্রণে গেলেও ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকবেন। বহাল থাকবে তার ভেটো ক্ষমতাও।
মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের ক্ষমতা কেড়ে নেবে না। বরং তার নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ কতটা কঠিন হবে, সেটিই নির্ধারণ করবে।
The post যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন বদলে দিতে পারে ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের রাজনৈতিক গতিপথ appeared first on Bangladesh Diplomat | বাংলাদেশ ডিপ্লোম্যাট.
Source - bangladeshdiplomat.com ↗