কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চার যুবককে পাহাড়ে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। অন্য দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী বন বিট কার্যালয়ের পাশের একটি পাহাড় থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
নিহত দুজন হলেন টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগ্যাকাটা এলাকার প্রয়াত আবদুস সালামের ছেলে মোকতার কামাল (৩৭) এবং উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে মোহাম্মদ আকবর (৩২)।
আহত দুজন হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার ইলিয়াস (৪০) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক আলী আহমদ (৩০)। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে পানখালী বন বিট কার্যালয়ের পাশের একটি পাহাড়ে ইলিয়াস ও আলী আহমদকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। এ সময় তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে মোকতার কামালের মরদেহ পাওয়া যায়। পরে আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং বেলা একটার দিকে একই পাহাড় থেকে মোহাম্মদ আকবরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
টেকনাফে চার যুবককে পাহাড়ে নিয়ে নির্যাতন, দুজনের মরদেহ উদ্ধার

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী দাবি করেন, ইয়াবা বড়ি আত্মসাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার যুবকের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এতে দুজনের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় তিনটি সূত্রের দাবি, হ্নীলা এলাকায় মাদক কারবারে পাঁচ থেকে সাতটি দল সক্রিয়। এসব দলের সদস্যদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র আছে। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ ও লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রায়ই ওই এলাকায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
স্থানীয় তিনটি সূত্রের দাবি, হ্নীলা এলাকায় মাদক কারবারে পাঁচ থেকে সাতটি দল সক্রিয়। এসব দলের সদস্যদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র আছে। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ ও লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রায়ই ওই এলাকায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
Source - www.prothomalo.com ↗