Bangladesh · 2026-11-05 13:37:56

৯ গোলে কোমোর রেকর্ড, অন্য ম্যাচগুলোতেও যেসব রেকর্ড হলো

৯ গোলে কোমোর রেকর্ড, অন্য ম্যাচগুলোতেও যেসব রেকর্ড হলো
কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস কোন উচ্চতায় তুলছেন কোমোকে? ইউরোপিয়ান ফুটবলে এখন এই প্রশ্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার প্রথম খেলতে এসে চার ম্যাচ শেষে গোলের হিসাবে কোমোর ওপরে শুধু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি! এই চার ম্যাচে ৩ জয় এবং ১ হারের পথে ১৯ গোল করেছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। হজম করেছে ৬ গোল। অর্থাৎ কোমোর গোল ব্যবধান +১৩। ৪ ম্যাচে ২০ গোল পিএসজি শুধু গোল ব্যবধানে (+১৫) কোমোর ওপরে। গতকাল রাতে ফরাসি ক্লাব লেঁসকে তাঁদের মাঠে ৯–১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফ্যাব্রেগাসের দল। এই জয়ে বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে সিরি আ পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ দলটি। আসুন জেনে নিই, কোমোর জয়সহ গতকাল রাতে অন্যান্য ম্যাচের কিছু কীর্তি, মাইলফলক ও রেকর্ড:৮চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। এর আগে ২০০৭ সালে বেসিকতাসকে ৮–০ গোলে হারায় লিভারপুল। ২০১৫ সালে মালমোকে ৮–০ গোলে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ।
৯চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোলের রেকর্ড গড়ল কোমো। প্রতিযোগিতাটির পূর্ববর্তী সংস্করণ ইউরোপিয়ান কাপে সর্বশেষ ১৯৭১ সালে অলিম্পিকায়োসের মাঠে ৯–০ গোলে জিতেছে ফেইনুর্ড। এমন নজির আছে আরও তিনটি—কেআর রিকজাভিকের মাঠে ফেইনুর্ডের ১২–২ গোলের জয় (১৯৬৯), হাকার মাঠে অ্যান্ডারলেখটের ১০–১ গোলের জয় (১৯৬৬) ও রেইপাস লাহথির মাঠে স্পার্তাক ত্রনাভার ৯-১ গোলের জয় (১৯৬৮)।
২চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিখের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে এক ম্যাচে ৯ গোল করল ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দিনামো জাগরেবকে ৯–২ গোলে হারায় বায়ার্ন।
বড় জয়ের পর কোমোর খেলোয়াড়দের উদ্‌যাপন১ইতালির প্রথম ক্লাব হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯ গোল করল কোমো।
৩কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেন গ্রিসের স্ট্রাইকার তাসোস দুভিকাস। চ্যাম্পিয়নস লিগে তৃতীয় গ্রিক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন দুভিকাস।
১৯ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথম চার ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৯ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। ১৯৭৬ সালে একই কীর্তি গড়েছে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স।
এথেন্সের জালে গোলের পর এমবাপ্পের উদ্‌যাপন১০০চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০২তম ম্যাচে ১০০ গোলে (৭৪ গোল, ২৬ অ্যাসিস্ট) অবদান রাখলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। শুধু লিওনেল মেসি তাঁর চেয়ে কম ম্যাচ (১০১) খেলে এই মাইলফলকের দেখা পেয়েছেন।
এথেন্সকে স্তব্ধ করে রিয়ালকে জেতালেন ভালভের্দে৪৯০ মিনিট কিংবা তারপর গোল করে ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারির আগ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল কখনোই প্রতিপক্ষের মাঠে জিততে পারেনি। পরবর্তী ২১ মাসে রিয়াল এভাবে জিতেছে মোট চারবার। চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে আর কোনো এত অল্প সময়ে এভাবে এতগুলো ম্যাচ জিততে পারেনি।
০/৬ইউরোপিয়ান কাপ/ চ্যাম্পিয়নস লিগে তুর্কি ক্লাবগুলোর মাঠে ছয় ম্যাচের একটিতেও জয় পায়নি লিভারপুল। হার পাঁচটি, যেখানে হেরেছে সর্বশেষ চার ম্যাচে। ইউরোপিয়ান কাপ/ চ্যাম্পিয়নস লিগে কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের দলগুলোর মাঠে টানা পাঁচ ম্যাচ কখনো হারেনি লিভারপুল।
ফেনেরবাচের বিপক্ষে হেরেছে লিভারপুল২৩আর্সেনালের কাছে হারে ইউরোপিয়ান কাপ/ চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে কোনো দলের দীর্ঘতম জয়হীন থাকার রেকর্ডে (২৩ ম্যাচ—ড্র ৮, হার ১৫) ভাগ বসাল স্লাভিয়া প্রাগ। ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে এএকে অ্যাথেন্স এবং ২০০৬ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে এফসিএসবি এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মালিক ছিল।
১ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এই মহাদেশের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে প্রথম দল হিসেবে ৯ গোল হজম করল লেঁস।
৩৫লাইপজিগ (১১) ও ম্যানচেস্টার সিটির (২৪) মধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৭টি ম্যাচে মোট ৩৫টি গোল হয়েছে। প্রতি ম্যাচে গড়ে ৫ গোলের রেকর্ডটি এ প্রতিযোগিতায় ন্যূনতম ৫ বার মুখোমুখি হওয়া দুই দলের ম্যাচে সর্বোচ্চ।

লিভারপুলকে হারিয়ে ১৮ বছর পর জয় ফেনেরবাচের

Source - www.prothomalo.com ↗