দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা–জীবনের ইতি টেনে অবসরে গেলেন টাঙ্গাইলের সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া। ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে তাঁকে বিদায় জানানো হয়েছে। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসায় এমন বিদায়ে আপ্লুত তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার কলেজ মিলনায়তনে সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়ার আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, আবদুল হান্নান মিয়ার শেষ কর্মদিবস ছিল গত ১৯ অক্টোবর। তবে ওই সময় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কলেজ বন্ধ থাকায় ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে বিদায় জানানো সম্ভব হয়নি। পরে আজ বৃহস্পতিবার কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁর সম্মানে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে।
কলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদায়ী শিক্ষকের ছোট ভাই চিকিৎসক হাফিজুর রহমান, কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম ওয়াজেদ আলী, মো. ফারুক হোসেন, মুহাম্মদ আবদুল আলীম, আহাম্মদ আলী মিয়া, নজরুল ইসলাম খান ও রফিকুল হক বাদল। এ সময় বিদায়ী শিক্ষকের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ফুলে সাজানো গাড়িতে বিদায়, আপ্লুত অবসরে যাওয়া কলেজশিক্ষক

কলেজ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার পরপরই ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন আবদুল হান্নান মিয়া। আট বছর প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হন। কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অবসরে যাওয়া সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ মিলনায়তনেকলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফ বলেন, ‘স্যার (আবদুল হান্নান মিয়া) খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁকে রাজকীয় বিদায় দিতে পারিনি। তবে ফুল দিয়ে একটি গাড়ি সাজিয়ে খুবই সাধারণভাবে তাঁকে বিদায় জানাচ্ছি।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ‘কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে আবদুল হান্নান স্যার অন্যতম। কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনন্য।’
স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী আলেয়া আফরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি উচ্চমাধ্যমিকেও এই কলেজে পড়েছি। স্যার ক্লাসে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াতেন। একবার না বুঝলে বারবার বুঝিয়ে দিতেন। টানা চার বছর তাঁর কাছে পড়েছি। স্যার আর আমাদের পড়াবেন না, এ কথা ভেবে খুবই কষ্ট হচ্ছে।’
অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে সাজানো একটি গাড়িতে করে সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়াকে বিদায় জানানো হয়। দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে বিদায় জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক শিক্ষক। বিকেল চারটার দিকে তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। সাজানো গাড়ি দেখতে গ্রামের লোকজনও ভিড় করেন।
মুঠোফোনে আবদুল হান্নান মিয়া বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। এই সম্মান আমি কোনো দিন ভুলব না।’
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অবসরে যাওয়া সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ মিলনায়তনেকলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফ বলেন, ‘স্যার (আবদুল হান্নান মিয়া) খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁকে রাজকীয় বিদায় দিতে পারিনি। তবে ফুল দিয়ে একটি গাড়ি সাজিয়ে খুবই সাধারণভাবে তাঁকে বিদায় জানাচ্ছি।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন বলেন, ‘কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে আবদুল হান্নান স্যার অন্যতম। কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনন্য।’
স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী আলেয়া আফরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি উচ্চমাধ্যমিকেও এই কলেজে পড়েছি। স্যার ক্লাসে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াতেন। একবার না বুঝলে বারবার বুঝিয়ে দিতেন। টানা চার বছর তাঁর কাছে পড়েছি। স্যার আর আমাদের পড়াবেন না, এ কথা ভেবে খুবই কষ্ট হচ্ছে।’
অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে সাজানো একটি গাড়িতে করে সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়াকে বিদায় জানানো হয়। দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে বিদায় জানাতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক শিক্ষক। বিকেল চারটার দিকে তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। সাজানো গাড়ি দেখতে গ্রামের লোকজনও ভিড় করেন।
মুঠোফোনে আবদুল হান্নান মিয়া বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। এই সম্মান আমি কোনো দিন ভুলব না।’
Source - www.prothomalo.com ↗