গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দুপুরে লোডশেডিংয়ের কারণে টিফিনের পর বিদ্যালয় ছুটি দেন প্রধান শিক্ষক। এ সময় বিদ্যালয়ের চারতলায় শ্রেণিকক্ষের সামনে করিডরে অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ একজন স্লোগান দেওয়ার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করে। ভিডিওটি গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তার নজরে এলে তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউর হককে বিষয়টি জানান।
গোপালগঞ্জে স্কুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, টিসি পাচ্ছে ৯ শিক্ষার্থী

প্রধান শিক্ষক জিয়াউর হক বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তাঁকে বিষয়টি জানান এবং ভিডিও দেখান। পরে তিনি বিদ্যালয়ের সভাপতি ও গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক ঘটনাটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেন। ওই ঘটনায় বিদ্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষক ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি গত ২৯ অক্টোবর প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১ নভেম্বর ৯ শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধান শিক্ষক জিয়াউর হক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। অভিভাবকদের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয় জানতে আজ বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে জেলা প্রশাসক আরিফ উজ জামান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (শিক্ষা ও আইসিটি) মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা ফোন ধরেননি।
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি গত ২৯ অক্টোবর প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১ নভেম্বর ৯ শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধান শিক্ষক জিয়াউর হক বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। অভিভাবকদের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয় জানতে আজ বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে জেলা প্রশাসক আরিফ উজ জামান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (শিক্ষা ও আইসিটি) মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা ফোন ধরেননি।
Source - www.prothomalo.com ↗