চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে নেওয়ার পথে ফেনীতে শুঁটকিবোঝাই একটি কাভার্ড ভ্যান ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রায় চার দিন পর ছিনতাই হওয়া শুঁটকি ও কাভার্ড ভ্যানটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে জড়িত ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া কাভার্ড ভ্যানটি কুমিল্লায় রাখা হয়েছিল। আর এতে থাকা প্রায় ১৬০ বস্তা শুঁটকি বিক্রির জন্য নেওয়া হয়েছিল জামালপুরে। মূলত অপরাধী চক্রটি এক জেলায় ছিনতাই করে অন্য জেলায় পণ্য বিক্রি করত।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর আফজাল এলাকার খলিলুর রহমান ওরফে খলিল মাঝির ছেলে মো. মনির হোসেন (৪৫), একই জেলার দৌলতখান উপজেলার দিদার উল্লাহ এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে মো. আক্তার হোসেন (৩২), নোয়াখালীর চরজব্বার থানার চর ফানারুল্লাহ এলাকার মো. কাঞ্চন আলীর ছেলে মো. বাবলু (২৮) ও কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানার নবীয়াবাদ এলাকার আফিল মিয়ার ছেলে মো. নাদিম। তাঁদের সবাইকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ফেনী থেকে ছিনতাই করা কাভার্ড ভ্যান রাখা হয় কুমিল্লায়, মালামাল বিক্রি জামালপুরে
পুলিশ জানায়, গত ৩১ অক্টোবর রাতে চট্টগ্রামের আছদগঞ্জ থেকে ৪০ লাখ ১২ হাজার ৭৮৫ টাকার শুঁটকি কেনেন শ্যামল দাস (৩৮)। পরে এসব শুঁটকি একটি কাভার্ড ভ্যানে করে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কাভার্ড ভ্যানের চালক আরিফ হোসেন (২৮)। ওই দিন দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপোল এলাকার যাত্রাসিদ্ধিতে পৌঁছালে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ তাঁদের গতিরোধ করে।
এ সময় তিনজন ছিনতাইকারী ছুরি নিয়ে কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে উঠে শ্যামল ও চালক আরিফকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাঁদের গলায় ছুরি ধরে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে শ্যামলের কাছে থাকা ১৪ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও একটি মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তার পাশের জঙ্গলে ফেলে রেখে যায়। এরপর শুঁটকিবোঝাই কাভার্ড ভ্যানটি নিয়ে ঢাকার দিকে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় শ্যামল দাস বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশের একাধিক দল নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায়। পরে গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের পাশে নির্মাণাধীন নতুন উড়ালসড়কের নিচ থেকে খালি কাভার্ড ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। একই দিন ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল জামালপুর সদর উপজেলায় একটি কোল্ড স্টোরেজের সামনে থেকে ছিনতাই হওয়া ১৬০ বস্তা শুঁটকি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক থেকে পণ্যবোঝাই গাড়ি কৌশলে আটক করে মালামাল ছিনিয়ে নিতেন। পরে এসব মালামাল নানা স্থানে বিক্রি করতেন।
জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, শুঁটকি ব্যবসায়ীর করা মামলায় ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ সময় তিনজন ছিনতাইকারী ছুরি নিয়ে কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে উঠে শ্যামল ও চালক আরিফকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাঁদের গলায় ছুরি ধরে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে শ্যামলের কাছে থাকা ১৪ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও একটি মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের রাস্তার পাশের জঙ্গলে ফেলে রেখে যায়। এরপর শুঁটকিবোঝাই কাভার্ড ভ্যানটি নিয়ে ঢাকার দিকে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় শ্যামল দাস বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশের একাধিক দল নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায়। পরে গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের পাশে নির্মাণাধীন নতুন উড়ালসড়কের নিচ থেকে খালি কাভার্ড ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। একই দিন ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল জামালপুর সদর উপজেলায় একটি কোল্ড স্টোরেজের সামনে থেকে ছিনতাই হওয়া ১৬০ বস্তা শুঁটকি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক থেকে পণ্যবোঝাই গাড়ি কৌশলে আটক করে মালামাল ছিনিয়ে নিতেন। পরে এসব মালামাল নানা স্থানে বিক্রি করতেন।
জানতে চাইলে ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, শুঁটকি ব্যবসায়ীর করা মামলায় ছিনতাইকারী দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Source - www.prothomalo.com ↗