শীতের শুরুতেই নয়াদিল্লিতে বায়ুদূষণ বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং পুরো শহর ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে। শীত আসার আগেই শহরটির বায়ুমান সূচক ৩০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তা আরও বেড়ে ৩৭০-এ দাঁড়িয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে পুরোনো গাড়ি চলাচলে কড়াকড়িসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন।
সকালের আলো ফুটলেও যেন সূর্যের দেখা নেই। ঘন ধোঁয়াশার চাদরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। বায়ুদূষণ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সুস্থ থাকতে বাইরে বের হওয়াও এখন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের হিসাবে, বাতাসের মান ৫০-এর নিচে থাকলে তা পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থের জন্যে ভালো বলা হয়। তবে শীতের শুরুতেই দিল্লির বায়ুমান সূচক বেড়ে ৩০০-এর ঘরে। বৃহস্পতিবার তা পৌঁছায় ৩৭০-এ অর্থাৎ বিপজ্জনক পর্যায়।
শীতের শুরুতেই নয়াদিল্লিতে বিপজ্জনক পর্যায়ে বায়ুদূষণ, ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো শহর

নয়াদিল্লির এক বাসিন্দা বলেন, ‘দিনের শুরুটা এখন আর সতেজ বাতাসের মধ্যে দিয়ে শুরু করা যাচ্ছে না। দূষণের কারণে এখন খোলা জায়গায় বের হওয়াও নিরাপদ নয়। বায়ুমান সূচক এত বেশি যে ঠিকমতো শ্বাস নেওয়াও কঠিন।’
দূষণের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের শরীরেও। কাশি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন বাসিন্দারা।
নয়াদিল্লির আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘দূষণের কারণে আমার কিছু সমস্যা হচ্ছে। কাশিতে ভুগছি, আমার মেয়েরও একই সমস্যা। দীপাবলির সময়, বছরের এই মৌসুমে সাধারণত দিল্লির বাতাস খারাপ হতে থাকে যার কারণে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় পড়তে হয়।’
গত কয়েক বছর ধরে শীতের শুরুতে দিল্লি ও আশপাশের অঞ্চলে দূষণ বাড়ে। ঠান্ডা ও ঘন বাতাসে যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা এবং ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ধোঁয়া আটকে থাকে।
এ পরিস্থিতিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বেশি ধোঁয়া ছড়ায় এমন পুরোনো যানবাহনকে শহরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দিল্লি পুলিশের হিসাবে, বুধবার দিল্লির প্রবেশপথ থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে আড়াই হাজারের বেশি গাড়ি। পাশাপাশি ধুলা কমাতে ট্রাকে বসানো স্প্রিংকলার দিয়েও পানি ছিটানো হচ্ছে।
The post শীতের শুরুতেই নয়াদিল্লিতে বিপজ্জনক পর্যায়ে বায়ুদূষণ, ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো শহর appeared first on Bangladesh Diplomat | বাংলাদেশ ডিপ্লোম্যাট.
Source - bangladeshdiplomat.com ↗