Bangladesh · 2026-11-06 23:35:36

শহিদ জিয়ার আদর্শই তারেক রহমানের স্বপ্ন

শহিদ জিয়ার আদর্শই তারেক রহমানের স্বপ্ন
আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর— জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ইতিহাসের পাতায় দিবসটি সিপাহি-জনতার বিপ্লবের দিন হিসেবেও পরিচিত। ১৯৭৫ সালের এই দিনেই বাংলাদেশে সংঘটিত হয় একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ও সামরিক অভ্যুত্থান।

ওই বছর ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের পাল্টা অভ্যুত্থানে গৃহবন্দি হওয়া জিয়াউর রহমানকে এই দিনে সুবেদারপ্রধান হাবিলদার সারোয়ারের নেতৃত্বে সিপাহি ও সাধারণ জনতা মুক্ত করে আনেন। জাসদপন্থি সৈনিক সংস্থার উত্থান এবং কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে ‘সিপাহি বিপ্লব’ শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্রুত সাধারণ সিপাহি ও জনগণের অভূতপূর্ব এক জাতীয়তাবাদী ঐক্যে রূপ নেয়।

এই ঐক্য সংঘাতময় রাজনীতি ও সামরিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে এবং জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে আসার পথ সুগম করে। এরপর থেকেই দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে এ দিনটি এক অনন্য আলোকবর্তিকা ও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

১৯৭৫ সালের এই দিনে ইতিহাসের এক চরম সংকটকালে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব ভেঙে দিয়েছিল আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের শিকল, এনে দিয়েছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার অমলিন বারতা। সেই ঐতিহাসিক মোড় পরিবর্তনকারী বিপ্লবের মধ্য দিয়েই বীর উত্তম ও তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সিপাহি-জনতার আস্থায় দেশের হাল ধরেছিলেন।

পরবর্তীকালে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং দেশীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার যে মহাযাত্রার তিনি সূচনা করেছিলেন, তা আজ ২০২৬ সালে এসে এক নতুন রাষ্ট্রচিন্তা ও বিনির্মাণের রূপ নিয়েছে। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার ভিশন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দীর্ঘ যাত্রাপথকে দিয়েছে নতুন গতি ও দিকনির্দেশনা।

এমনটাই বলছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা। একটু ফিরে দেখলে স্পষ্ট হয়ে উঠবে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতন এবং ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। দীর্ঘ সামরিক শাসনের পর বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত প্রথম নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ী হয় এবং দেশের শাসনভার গ্রহণ করে। এটি ছিল দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সূচনা। আশির দশকে এরশাদবিরোধী নয় বছরব্যাপী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজেকে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ কিংবা এরশাদ সরকারের সঙ্গে কোনো রূপ সমঝোতায় রাজি না হওয়ার দৃঢ় অবস্থান সাধারণ জনগণের মধ্যে তার প্রতি ব্যাপক আস্থা ও বিপুল জনপ্রিয়তা তৈরি করে।

সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিএনপির ছাত্র সংগঠন (ছাত্রদল) ও তৎকালীন সাতদলীয় জোট রাজপথে সবচেয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। ’৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে দলটির এ অগ্রণী ভূমিকা তরুণ ভোটার ও সাধারণ নাগরিকের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে, যা সরাসরি প্রতিফলিত হয় ভোটে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যখন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বহির্বিশ্বের আধিপত্যবাদের প্রভাব এবং চরম সামাজিক বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ১৯৭৫ সালের ৩ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে ঘটে যায় নাটকীয় সব রাজনৈতিক ঘটনা।

রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব যখন হুমকির মুখে পড়েছিল, তখন দেশের সৈনিক ও আমজনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসে। ৭ নভেম্বরের ভোর ছিল দেশপ্রেমিক সেনানায়ক জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করার এবং রাষ্ট্রকে সংকটমুক্ত করার এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। সেদিন ঢাকা সেনানিবাস থেকে শুরু করে রাজপথ পর্যন্ত সিপাহি ও জনতার ভালোবাসার সংমিশ্রণে ধ্বনিত হয়েছিল সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার সেøাগান।

সিপাহি-জনতার এই বাঁধভাঙা ঐক্য দেশকে রক্ষা করে এক অনিশ্চিত অন্ধকার থেকে। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ খুঁজে পায় নিজস্ব আত্মপরিচয়। তাই ৭ নভেম্বরের বিপ্লব কেবল একটি সামরিক বা রাজনৈতিক অঘটন ছিল না, এটি ছিল পূর্ববর্তী সরকারের একদলীয় শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বীজ রোপণের ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

দায়িত্ব গ্রহণ করেই জিয়াউর রহমান দেশের রাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনব্যবস্থা (বাকশাল) বিলুপ্ত করে সব রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। সংবাদপত্রের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ে দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর প্রবর্তন করেন, যা দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মূল ভিত্তিকে শক্ত করে।

জিয়াউর রহমান শুধু রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাই আনেননি, বরং বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তার ‘১৯ দফা কর্মসূচি’ ছিল একটি তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে চালিত করার সুসমন্বিত পরিকল্পনা। খাদ্য ঘাটতি মেটাতে তিনি স্বনির্ভর আন্দোলনের ডাক দেন এবং গ্রামে গ্রামে খাল খনন করে সেচ সুবিধার বিপ্লব ঘটান।

আজ বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি— তৈরি পোশাক খাত এবং মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানি— তার সূচনা হয়েছিল জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমেই। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে তিনি গ্রাম সরকার ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। ওআইসি, জাতিসংঘ এবং সার্ক গঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক দরবারে একটি সম্মানিত ও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান শাহাদতবরণ করেন। দেশের মানুষ তাদের প্রিয় নেতাকে হারিয়ে স্তম্ভিত হয়ে পড়ে। তার শাহাদতবরণের পর দেশে পুনরায় সামরিক ও স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। আবারও গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলিত করা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় এবং দেশের অগ্রগতি রুদ্ধ হয়ে পড়ে। তবে শহিদ জিয়ার রক্তে গড়া আদর্শ ও দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

দীর্ঘ নয় বছরের তীব্র গণ-আন্দোলনের পর ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। ১৯৯১ সালের নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচনের ফলাফলে ক্ষমতায় ফিরে আসে বিএনপি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার শহিদ জিয়াউর রহমানের উন্নয়নমুখী নীতি ও আদর্শ অব্যাহত রাখে। এ সময়টাতেই মূলত ঘটে সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন। সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা হয়।

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে উপবৃত্তি ব্যবস্থা চালু করা হয়, যা দেশের নারী শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। একইসঙ্গে অর্থনৈতিক উদারীকরণ, নতুন শিল্প স্থাপন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাস, বরাবরই আন্দোলন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস।

বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা চরম আওয়ামী দুঃশাসন, ভোটারবিহীন নির্বাচন ও রাজনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে ’২৪-এর জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা এক ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে তোলে। সেই প্রবল আন্দোলনে আওয়ামী দুঃশাসনের পতনের পর দেশে আবারও নতুন এক গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়। আর এই যাত্রায় দেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিএনপি জনগণের কাছে এক অবিচল আস্থা ও ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়।

শহিদ জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ধারার ওপর ভর করেই এগিয়ে চলেছে দলটি। আজ ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বিএনপির দূরদর্শী চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহিদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার দর্শনকে এক আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও তরুণবান্ধব রাজনীতিতে রূপ দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রাষ্ট্র কেবল পরিচালনার বিষয় নয়; রাষ্ট্রকে আমূল পুনর্গঠন করতে হবে।

এই লক্ষ্যেই তার বহুল আলোচিত ও প্রশংসিত রাষ্ট্রচিন্তার প্রতিপাদ্য— ‘সবার আগে বাংলাদেশ। ’ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তারেক রহমান দেশের প্রতিটি খাতের টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ব্লুপ্রিন্ট বা পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন, পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকার নিয়ম চালু এবং দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার মাধ্যমে সর্বস্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

আরও রয়েছে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্ট-আপ ফান্ডিং এবং আইটি অবকাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে কোটি তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আছে, প্রতিটি নাগরিকের জন্য সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় আয়ের একটি বিশাল অংশ শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ করা। পরিকল্পনায় রেখেছেন, শহিদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন ও সবুজ বিপ্লবের আধুনিক রূপ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও কৃষকদের জন্য বিশেষ ভর্তুকি প্রদান।

আছে, বিচার বিভাগের শতভাগ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক হয়রানির সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করা। এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও প্রবাসী কার্ড চালুও করা হয়েছে। শুরু হয়েছে খাল খনন কর্মসূচি। বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে জোর দেওয়া হয়েছে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ওপর। এ ছাড়া অন্যান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা এগিয়ে চলছে।

তাই আজকের ৭ নভেম্বর শুধু অতীতের বীরত্বগাথা স্মরণ করার দিন নয়। এটি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি নবায়নের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের মানুষ যেভাবে স্বাধীন অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল, আজ ২০২৬ সালে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই জাতীয় ঐক্যকে আবারও সুসংহত করার সময় এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শুধু রাজনৈতিক সেøাগান নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটি আত্মমর্যাদাশীল, আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, রক্তে অর্জিত এই দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার যে পতাকা ৭ নভেম্বরে তোলা হয়েছিল, তা একটি স্থায়ী ও আলোকোজ্জ্বল রাষ্ট্রব্যবস্থায় পরিণত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

ইতিহাস সাক্ষী— জনগণের ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্বের মেলবন্ধনে বাংলাদেশ অতীতেও পরাজিত হয়নি, তারেক রহমানের এ স্বপ্ন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে আগামীতেও হবে না।

The post শহিদ জিয়ার আদর্শই তারেক রহমানের স্বপ্ন appeared first on Bangladesh Diplomat | বাংলাদেশ ডিপ্লোম্যাট.

Source - bangladeshdiplomat.com ↗