মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচটা জাস্টিন গ্রিভসের তালুবন্দি হওয়ার পর তাওহিদ হৃদয়ের চোখেমুখে হতাশার ছাপটা স্পষ্ট। মিরাজ যে দলের শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান। তাঁর আউটে মাথা ঝাঁকিয়ে হতাশা প্রকাশ করতে করতে হৃদয় হয়তো ভাবছিলেন, এরপর কী?
উত্তরটা হৃদয় পরে খুঁজে নিয়েছেন নিজেই— বাউন্ডারিতে রান করো। মিরাজ আউট হওয়ার সময় ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়। টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পথে পরের ১৯ রান করতে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে চার বাউন্ডারি।
মিরপুরে আগের টেস্টে দুই ইনিংসেই হৃদয় যেভাবে মারতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন, টেস্ট খেলার ধৈর্য তাঁর আছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। সিলেটে হৃদয় গতকাল যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখনও এ নিয়ে ধারাভাষ্যকক্ষে আলাপ করছিলেন ইয়ান বিশপ। তাঁর কথার সারাংশ ছিল এমন— হৃদয়ের টেস্ট টেম্পারমেন্ট আরও বাড়াতে হবে। সেটি প্রমাণে হৃদয়ের সময় লাগল না খুব একটা। ক্যারিয়ারে তৃতীয় টেস্টে চাপের মুখে হৃদয় নিংড়ে ব্যাট করে তাঁর এই সেঞ্চুরিটি এক কথায় অসাধারণ।
টেস্টের মেজাজে হৃদয় নিংড়ে সেঞ্চুরি হৃদয়ের

হৃদয় যেভাবে রান করেছেন সেটা সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর। জেদ লুকিয়ে রেখেও ধৈর্য ধরে ইনিংসটা এগিয়ে নিয়ে গেছেন। কাল টেস্টের দ্বিতীয় দিনে তাঁর সঙ্গে দ্বৈরথ জমে গিয়েছিল জেডেন সিলসের। প্রায় প্রতি বলেই হৃদয়কে তাতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই ক্যারিবিয়ান পেসার।
তাইজুলকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন হৃদয়কথার লড়াইয়ে জড়ালেও হৃদয় উদ্ভুট কিছু করে বসেননি। তবু কাল দুয়েকবার তাঁর ভেতরের অস্থিরতা একটু আধটু দেখা গিয়েছিল, কিন্তু তাও ছিল না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদের চোখে চোখে রেখে কথা বলেছেন ঠিকই, কিন্তু কখনো পথ হারাননি।
সিলেট টেস্ট: বিপদের মুখে অসাধারণ সেঞ্চুরি করলেন হৃদয়আজ তৃতীয় দিনের সকালে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ব্যাট করতে নামেন ২৯ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয়। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেছেন মুশফিক ও লিটন দাসের আউট। ৪১ রানের জুটি গড়ার পর প্যাডেল সুইপ করতে গিয়ে আউট হন মিরাজও।
কিন্তু হৃদয় তাঁর মনোসংযোগে স্থির ছিলেন। কাট, ড্রাইভ, সুইপ, পুল—কী খেলেননি! তবে কখনোই নিয়ন্ত্রণ হারাননি, বল মাটিতে রেখেছেন আর প্রয়োজনে আঁটসাঁট ডিফেন্স।
উইকেটের চার পাশেই দারুণ কিছু শট খেলেন হৃদয়তাইজুল ইসলাম উইকেটে আসার পর চেষ্টা করেছেন তাঁকেও আগলে রাখতে। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই সেঞ্চুরির পথটাও পেয়ে গেছেন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে। তিন অঙ্কে পৌঁছানোর পর হৃদয় ব্যাটের আগায় হেলমেট রেখে একটা মুচকি হাসিতে উদযাপন সারেন হৃদয়। গ্যালারি ও ড্রেসিংরুম থেকে করতালিতে ভেসে আসে অভিবাদন। হৃদয় জানেন, ম্যাচটা বাঁচাতে হলেও এখনো লম্বা পথ সামনে। সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে এখনও যে বাংলাদেশ ১৫১ রানে পিছিয়ে, হাতে ২ উইকেট (সাদমান ব্যাট করতে পারবেন না)। ১ ছক্কা ও ১১ চারে ১৭১ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয়ের সামনে তাই মধ্যাহৃভোজের পর নতুন লড়াই।
তাইজুলকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন হৃদয়কথার লড়াইয়ে জড়ালেও হৃদয় উদ্ভুট কিছু করে বসেননি। তবু কাল দুয়েকবার তাঁর ভেতরের অস্থিরতা একটু আধটু দেখা গিয়েছিল, কিন্তু তাও ছিল না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদের চোখে চোখে রেখে কথা বলেছেন ঠিকই, কিন্তু কখনো পথ হারাননি।
সিলেট টেস্ট: বিপদের মুখে অসাধারণ সেঞ্চুরি করলেন হৃদয়আজ তৃতীয় দিনের সকালে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ব্যাট করতে নামেন ২৯ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয়। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেছেন মুশফিক ও লিটন দাসের আউট। ৪১ রানের জুটি গড়ার পর প্যাডেল সুইপ করতে গিয়ে আউট হন মিরাজও।
কিন্তু হৃদয় তাঁর মনোসংযোগে স্থির ছিলেন। কাট, ড্রাইভ, সুইপ, পুল—কী খেলেননি! তবে কখনোই নিয়ন্ত্রণ হারাননি, বল মাটিতে রেখেছেন আর প্রয়োজনে আঁটসাঁট ডিফেন্স।
উইকেটের চার পাশেই দারুণ কিছু শট খেলেন হৃদয়তাইজুল ইসলাম উইকেটে আসার পর চেষ্টা করেছেন তাঁকেও আগলে রাখতে। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই সেঞ্চুরির পথটাও পেয়ে গেছেন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে। তিন অঙ্কে পৌঁছানোর পর হৃদয় ব্যাটের আগায় হেলমেট রেখে একটা মুচকি হাসিতে উদযাপন সারেন হৃদয়। গ্যালারি ও ড্রেসিংরুম থেকে করতালিতে ভেসে আসে অভিবাদন। হৃদয় জানেন, ম্যাচটা বাঁচাতে হলেও এখনো লম্বা পথ সামনে। সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে এখনও যে বাংলাদেশ ১৫১ রানে পিছিয়ে, হাতে ২ উইকেট (সাদমান ব্যাট করতে পারবেন না)। ১ ছক্কা ও ১১ চারে ১৭১ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয়ের সামনে তাই মধ্যাহৃভোজের পর নতুন লড়াই।
Source - www.prothomalo.com ↗