ব্যাংকিং কেলেঙ্কারির জেরে সান্তিয়াগো পেনা অভিশংসিত হওয়ার পর প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন পেদ্রো আলিয়ানা।
গতকাল শুক্রবার ৫২ বছর বয়সী আলিয়ানা শপথ নেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি লাতিন আমেরিকার দেশটির ৫৩তম প্রেসিডেন্ট হলেন।
আলিয়ানার শপথ গ্রহণের দিনই পেনার ক্ষমতার অবসান ঘটে। ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে নাম আসার পর অভিশংসনের মধ্য দিয়ে দ্রুত তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্যারাগুয়ের ৪৫ সদস্যের সিনেটের মধ্যে ৪৪ জন সিনেটর তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন। একজন ভোটদানে বিরত থাকেন।
প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উয়েনো ব্যাংকের ওপর যথাযথ নজরদারি করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন কারভালো।গতকাল বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেনা লেখেন, ‘আমি কৃতজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। যাঁরা এখনো উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, তাঁদের কষ্টের বিষয়টি আমি পুরোপুরি উপলব্ধি করছি।’
সান্তিয়াগো পেনা গ্রেপ্তার, প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেদ্রো আলিয়ানার শপথ

এ সপ্তাহেই প্যারাগুয়ের একটি প্রভাবশালী ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান উয়েনো ব্যাংকের আকস্মিক পতনের সঙ্গে নাম জড়ানোর পর পেনার বিদায় ঘটল।
ব্যাংকটি সরকারি সংস্থাগুলোর যথাযথ নজরদারির আওতায় ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির সঙ্গে পেনার নিজের স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।
সান্তিয়াগো পেনা, পদত্যাগ করা প্রেসিডেন্টআমি কৃতজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। যাঁরা এখনো উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, তাঁদের কষ্টের বিষয়টি আমি পুরোপুরি উপলব্ধি করছি।প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উয়েনো ব্যাংকের ওপর যথাযথ নজরদারি করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন কারভালো।
গত মঙ্গলবার সকালে এ কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয়। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, উয়েনো ব্যাংক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সক্ষমতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির ঋণ ও অন্যান্য বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই।
ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উয়েনোর অবশিষ্ট সম্পদ অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ সংকটের কারণে উয়েনো ব্যাংকের লাখ লাখ গ্রাহক হঠাৎ করেই নিজেদের ব্যাংক হিসাব ও পেনশনের টাকা ব্যবহারের সুযোগ হারান।
অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে সান্তিয়াগো পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক নিয়ে উয়েনো ব্যাংকের গ্রাহক ছিলেন প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।
ব্যাংকটিতে পেনশনসহ সরকারের বিভিন্ন তহবিলের অর্থও জমা ছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্যাংকটি দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করে। এর পর থেকে লাখ লাখ গ্রাহক নিজেদের ব্যাংক হিসাবের অর্থ তুলতে পারছেন না।
ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টসরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে উয়েনো ব্যাংক জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৌঁসুলিরা। দেশের সরকারি পেনশন তহবিলের প্রায় ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এ ব্যাংকে বিনিয়োগ করা হয়েছিল।
৪৭ বছর বয়সী সান্তিয়াগো পেনা ২০২৩ সালের আগস্টে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
ব্যাংকটি সরকারি সংস্থাগুলোর যথাযথ নজরদারির আওতায় ছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটির সঙ্গে পেনার নিজের স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।
সান্তিয়াগো পেনা, পদত্যাগ করা প্রেসিডেন্টআমি কৃতজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। যাঁরা এখনো উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন, তাঁদের কষ্টের বিষয়টি আমি পুরোপুরি উপলব্ধি করছি।প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান কার্লোস কারভালোর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। উয়েনো ব্যাংকের ওপর যথাযথ নজরদারি করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে পদত্যাগ করেন কারভালো।
গত মঙ্গলবার সকালে এ কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয়। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, উয়েনো ব্যাংক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত আর্থিক সক্ষমতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির ঋণ ও অন্যান্য বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই।
ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উয়েনোর অবশিষ্ট সম্পদ অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ সংকটের কারণে উয়েনো ব্যাংকের লাখ লাখ গ্রাহক হঠাৎ করেই নিজেদের ব্যাংক হিসাব ও পেনশনের টাকা ব্যবহারের সুযোগ হারান।
অভিশংসনের পর আস্থার অপব্যবহারসহ কয়েকটি অপরাধের সন্দেহে সান্তিয়াগো পেনাকে গৃহবন্দী রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।প্রায় ৩০ লাখ গ্রাহক নিয়ে উয়েনো ব্যাংকের গ্রাহক ছিলেন প্যারাগুয়ের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।
ব্যাংকটিতে পেনশনসহ সরকারের বিভিন্ন তহবিলের অর্থও জমা ছিল। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্যাংকটি দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু করে। এর পর থেকে লাখ লাখ গ্রাহক নিজেদের ব্যাংক হিসাবের অর্থ তুলতে পারছেন না।
ব্যাংকের দেউলিয়া হওয়া নিয়ে বিতর্ক, পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টসরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে উয়েনো ব্যাংক জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৌঁসুলিরা। দেশের সরকারি পেনশন তহবিলের প্রায় ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এ ব্যাংকে বিনিয়োগ করা হয়েছিল।
৪৭ বছর বয়সী সান্তিয়াগো পেনা ২০২৩ সালের আগস্টে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
Source - www.prothomalo.com ↗