ঋণ নিয়ে গাভিটি কিনেছিলেন মো. ফকির আহমদ (৫০)। বাছুর হওয়ার পর সেটি লালন–পালন করছিলেন পরম যত্নে। গাভিটি ছিল তাঁর পরিবারের একমাত্র অর্থনৈতিক অবলম্বন। প্রতিদিন এর দুধ তিনি বাজারে বিক্রি করতেন। তবে তা স্থায়ী হয়নি।
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘাস খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুতের খুঁটির ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মারা গেছে গাভিটি। ফকির আহমদ বলেন, ‘গাভিটি ছিল আমার একমাত্র সম্বল, এখন আমি দিশাহারা।’
মো. ফকির আহমদ নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারিদ্রোন পাটোয়ারী বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। তিনি পেশায় দিনমজুর। এই গাভি থেকে দিনে প্রায় তিন কেজি দুধ পেতেন তিনি। দুধ বিক্রির টাকা দিয়েই মূলত তিনি সংসার চালাতেন।
‘গাভিটি ছিল আমার একমাত্র সম্বল, এখন আমি দিশাহারা’

আজ দুপুর ও সন্ধ্যায় দুই দফায় মুঠোফোনে কথা হয় ফকির আহমদের সঙ্গে। গাভিটি হারানোর পর থেকেই তিনি কান্না করছেন। সন্ধ্যায় কাঁদতে কাঁদতে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গাভিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে এটি কিনেছিলাম। মাসে এর কিস্তি দিতে হয় ১১ হাজার টাকা। বাছুর হওয়ার পর গাভিটি লালন–পালন করছিলাম। এটিই ছিল পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন। গাভিটি হারিয়ে এখন আমি দিশাহারা।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাড়ির সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে টানানো একটি তার ছিঁড়ে ওপরের বিদ্যুতের মূল লাইনের সংস্পর্শে ছিল। বিষয়টি কারও নজরে আসেনি। সকালে ঘাস খেয়ে ফেরার পথে ওই তারের সংস্পর্শে আসে ফকির আহমদের গাভিটি। এতে ঘটনাস্থলেই সেটির মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল বাশার বলেন, বেলা ১১টার দিকে গাভিটি বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ ছেঁড়া তারের সংস্পর্শে এসে এটি ছটফট করতে থাকে। এ সময় বাছুরটিও গাভির দিকে যাচ্ছিল। তিনি বাছুরটিকে আটকে চিৎকার করে লোকজনকে ডাকেন। কিন্তু ততক্ষণে গাভিটি মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা ফকির আহমদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক মিনারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চারিদ্রোন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটির টানা তার ছিঁড়ে থাকার বিষয়টি আগে কেউ তাঁদের জানাননি। জানালে আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যেত। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে অভিযোগ পাওয়ার পর বিদ্যুৎ–কর্মীরা গিয়ে ছেঁড়া তারটি অপসারণ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাড়ির সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে টানানো একটি তার ছিঁড়ে ওপরের বিদ্যুতের মূল লাইনের সংস্পর্শে ছিল। বিষয়টি কারও নজরে আসেনি। সকালে ঘাস খেয়ে ফেরার পথে ওই তারের সংস্পর্শে আসে ফকির আহমদের গাভিটি। এতে ঘটনাস্থলেই সেটির মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী আবুল বাশার বলেন, বেলা ১১টার দিকে গাভিটি বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ ছেঁড়া তারের সংস্পর্শে এসে এটি ছটফট করতে থাকে। এ সময় বাছুরটিও গাভির দিকে যাচ্ছিল। তিনি বাছুরটিকে আটকে চিৎকার করে লোকজনকে ডাকেন। কিন্তু ততক্ষণে গাভিটি মারা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা ফকির আহমদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
জানতে চাইলে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক মিনারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চারিদ্রোন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটির টানা তার ছিঁড়ে থাকার বিষয়টি আগে কেউ তাঁদের জানাননি। জানালে আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যেত। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে অভিযোগ পাওয়ার পর বিদ্যুৎ–কর্মীরা গিয়ে ছেঁড়া তারটি অপসারণ করেছেন।
Source - www.prothomalo.com ↗